শব্দ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

517 Total Questions
Back to Category
A
কোল ভাষা
B
মণ্ডারী ভাষা
C
তামিল ভাষা
D
ওলন্দাজ ভাষা

Explanation

‘চুলা’ একটি দেশি শব্দ যা মণ্ডারী ভাষা থেকে এসেছে বলে ভাষাবিজ্ঞানীরা মনে করেন। এটি বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে গৃহীত।

Categories: শব্দ
A
আরবি
B
ফারসি
C
উর্দু
D
তুর্কি

Explanation

নামাজ ও রোজা ফারসি শব্দ। আরবি ‘সালাত’ ও ‘সাওম’ এর ফারসি রূপ যথাক্রমে নামাজ ও রোজা, যা বাংলা ভাষায় মুসলিম সমাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।

Categories: শব্দ
A
আনারস
B
চন্দ্র
C
কষ্ট
D
কুলা

Explanation

‘কুলা’ একটি দেশী শব্দ। এটি শস্য ঝাড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। আনারস (পর্তুগিজ), চন্দ্র (তৎসম) এবং কষ্ট (তৎসম) শব্দগুলো ভিন্ন শ্রেণির।

Categories: শব্দ
A
উক্তি
B
বিভক্তি
C
উপসর্গ
D
শব্দ

Explanation

বাক্যের একক হলো ‘শব্দ’। এক বা একাধিক বর্ণ মিলে অর্থপূর্ণ শব্দ গঠন করে এবং শব্দগুলো সুবিন্যস্ত হয়ে বাক্য তৈরি করে। তাই শব্দকে বাক্যের মৌলিক একক ধরা হয়।

Categories: শব্দ
A
যৌগিক শব্দ
B
যোগরূঢ় শব্দ
C
রূঢ়ি শব্দ
D
মৌলিক শব্দ

Explanation

যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ (মূল অর্থ) এবং ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: গায়ক (যে গান করে), বাবুয়ানা (বাবুর ভাব)।

Categories: শব্দ
A
গোলাপ
B
শীতল
C
নেয়ে
D
গৌরব

Explanation

‘গোলাপ’ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ পাওয়া যায় না। শীতল (শীত+ল), নেয়ে (নাও+এ), গৌরব (গুরু+ষ্ণ) সাধিত শব্দ।

Categories: শব্দ
A
দুই ভাবে
B
তিন ভাগে
C
চার ভাগে
D
পাঁচ ভাগে

Explanation

শব্দার্থ বা অর্থের ভিত্তিতে বাংলা শব্দসমূহকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়: যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ প্রকরণের একটি অংশ।

Categories: শব্দ
A
পঙ্কজ
B
সন্দেশ
C
প্রবীণ
D
গায়ক

Explanation

‘পঙ্কজ’ একটি যোগরূঢ় শব্দ। ‘পঙ্কে জন্মে যা’—এই ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে এটি কেবল ‘পদ্মফুল’ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি যোগরূঢ়।

Categories: শব্দ
A
জলদ
B
জলজ
C
বনজ
D
সহজ

Explanation

‘জলদ’ একটি যোগরূঢ় শব্দ। ‘জল দেয় যে’ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে এটি কেবল ‘মেঘ’ অর্থে সুনির্দিষ্ট হয়েছে। তাই এটি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ।

Categories: শব্দ
A
দেশী শব্দ
B
অর্ধ-তৎসম শব্দ
C
তৎসম শব্দ
D
তদ্ভব শব্দ

Explanation

যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অবিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাদের তৎসম শব্দ বলে। তৎ মানে তার (সংস্কৃত) এবং সম মানে সমান।

Categories: শব্দ