শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
সমাস নিষ্পন্ন পদ যখন তার অংশের অর্থ না বুঝিয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। প্রশ্নের উত্তরে ‘রূঢ়ি’ দেওয়া থাকলেও সংজ্ঞাটি মূলত ‘যোগরূঢ়’ এর। তবে অপশন অনুযায়ী রূঢ়ি/যোগরূঢ় বাছতে হবে। (সঠিক উত্তর যোগরূঢ় হওয়া উচিত, কিন্তু প্রদত্ত উত্তরে রূঢ়ি আছে।)
Explanation
‘তৈল’ একটি রূঢ় শব্দ। এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘তিল থেকে উৎপন্ন’, কিন্তু বাংলায় এটি যে কোনো শস্যের নির্যাস বা তেল (সরিষা, বাদাম ইত্যাদি) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘মহাযাত্রা’ শব্দটির সাধারণ অর্থ ‘বিশাল কোনো যাত্রা’। কিন্তু যখন এটি ‘মৃত্যু’ বোঝায়, তখন এটি যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এটি সমাসের সাধারণ অর্থ ত্যাগ করে বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করেছে।
Explanation
মৌলিক শব্দ বিচার বিশ্লেষণ করা যায় না। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘বাদাম’ শব্দটি মৌলিক হিসেবে গণ্য হতে পারে যদি এটি ভাঙা না যায়। তবে ব্যাকরণিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৌলিক শব্দই বিশ্লেষণ সাপেক্ষ নয়। (নোট: ‘করা’ ধাতু, ‘ভবিতব্য’ সাধিত)।
Explanation
‘প্রবীণ’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি’। কিন্তু রূঢ়ি শব্দ হিসেবে এটি বর্তমানে ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি’ অর্থ প্রকাশ করে।
Explanation
‘হাতি’ (হস্তী) শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো ‘হাত আছে যার’ (এখানে হাত বলতে শুঁড় বোঝানো হতে পারে ব্যুৎপত্তিগতভাবে)। কিন্তু রূঢ়ি শব্দ হিসেবে এটি একটি ‘বিশেষ পশু’কে নির্দেশ করে।
Explanation
‘অসুখ’ শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত (নাই সুখ যার)। কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি কেবল ‘রোগ’ বা ‘ব্যাধি’ অর্থেই সুনির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
Explanation
‘রাজপুত’ (রাজার পুত্র > জাতি বিশেষ) এবং ‘পঙ্কজ’ (পঙ্কে জন্মে যা > পদ্মফুল) হলো যোগরূঢ় শব্দ। এগুলো সমাসবদ্ধ পদ হয়েও বিশিষ্ট অর্থ ধারণ করেছে।
Explanation
‘প্রবীণ’ (বীণাবাদক > বয়স্ক) এবং ‘বাঁশি’ (বাঁশের তৈরি > বাদ্যযন্ত্র) হলো রূঢ়ি শব্দ। এগুলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েও মূল অর্থ ছেড়ে বিশিষ্ট অর্থ নিয়েছে।
Explanation
‘মহাযাত্রা’ একটি যোগরূঢ় শব্দ। এটি সমাসের মাধ্যমে গঠিত (মহা সমারোহে যাত্রা) কিন্তু বিশিষ্ট অর্থে ‘মৃত্যু’ বোঝায়। দৌহিত্র যৌগিক, পাঞ্জাবি ও তৈল রূঢ় শব্দ।