সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
নিত্য সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না, অথবা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়। তাই সঠিক উত্তর নিত্য সমাস।
Explanation
‘নীলপদ্ম’ (নীল যে পদ্ম) হলো কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। বিশেষণ (নীল) ও বিশেষ্য (পদ্ম) যোগে গঠিত এবং পরপদ প্রধান।
Explanation
‘জজ সাহেব’ (যিনি জজ তিনিই সাহেব) কর্মধারয় সমাস। এটি একটি পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন, যা কর্মধারয় সমাসের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
Explanation
‘লাঠালাঠি’ (লাঠিতে লাঠিতে যুদ্ধ) ব্যতিহার বহুব্রীহি। ক্রিয়ার পারস্পরিকতা অর্থে এই সমাস হয়। এটিও একটি পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন।
Explanation
‘কোলাকুলি’ (কোলে কোলে যে মিলন) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস। পারস্পরিক ক্রিয়া এবং একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এর বৈশিষ্ট্য।
Explanation
সমাসবদ্ধ পদটি যেসব পদ নিয়ে গঠিত হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলে। যেমন: ‘সিংহ’ ও ‘আসন’ হলো ‘সিংহাসন’ সমাসের সমস্যমান পদ।
Explanation
প্রধানত সমাস ৬ প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু এবং অব্যয়ীভাব। যদিও আধুনিক ব্যাকরণে দ্বিগুকে কর্মধারয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তবে প্রচলিত মতে ৬ প্রকার।
Explanation
‘জমাখরচ’ হলো দ্বন্দ্ব সমাস। এর সঠিক ব্যাসবাক্য ‘জমা ও খরচ’। বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের এটি একটি উদাহরণ।
Explanation
‘ভাই-বোন’ (ভাই ও বোন) দ্বন্দ্ব সমাস। এখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান। এটি পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন।
Explanation
‘জায়া ও পতি’ সমাসবদ্ধ হলে ‘দম্পতি’ হয়। এটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে দুটি পদ মিলে একটি নতুন রূপ ধারণ করে।