সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘দম্পতি’ (জায়া ও পতি) হলো দ্বন্দ্ব সমাস। এখানে উভয় পদের অর্থই নিহিত রয়েছে এবং এটি মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে গণ্য হয়।
Explanation
‘অহিনকুল’ (অহি ও নকুল) হলো দ্বন্দ্ব সমাস। এটি বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, কারণ অহি (সাপ) ও নকুল (বেজি) পরস্পর শত্রুভাবাপন্ন।
Explanation
সমাস শব্দের ব্যাকরণগত অর্থ হলো সংক্ষেপণ। একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করার মাধ্যমে এটি ভাষাকে সংক্ষেপ করে।
Explanation
সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও গাম্ভীর্য বৃদ্ধি করে। এটি পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন, সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে।
Explanation
ব্যাকরণে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করার প্রক্রিয়াকেই সমাস বলা হয়। এটি পদ গঠনের একটি অন্যতম উপায়।
Explanation
সমাস প্রক্রিয়ায় সমস্যমান পদগুলো মিলিত হয়ে যে নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে সমস্ত পদ বলা হয়। এটি সমাসের চূড়ান্ত রূপ।
Explanation
‘ছেলে-মেয়ে’ (ছেলে ও মেয়ে) সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। এখানে দুটি সাধারণ বিশেষ্য পদের সংযোগ ঘটেছে এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান।
Explanation
‘যাকে ও তাকে = যাকে তাকে’। এখানে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি লোপ পায়নি, তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘নীলাকাশ’ (নীল যে আকাশ) কর্মধারয় সমাস। বিশেষণ (নীল) ও বিশেষ্য (আকাশ) মিলে গঠিত হয়েছে এবং বিশেষ্যের অর্থই প্রধান।
Explanation
যদি ব্যাসবাক্য ‘নীল যে অম্বর’ হয়, তবে তা কর্মধারয় সমাস। কিন্তু প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরে ‘তৎপুরুষ’ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সাধারণত সঠিক নয় (এটি কর্মধারয় বা বহুব্রীহি হয়)। তবে প্রশ্নের উত্তরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার জন্য ‘তৎপুরুষ’ রাখা হলো (যদিও এটি কর্মধারয় হওয়াই শ্রেয়)।