সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘কালসাপ’-এর ব্যাসবাক্য ‘কাল তুল্য সাপ’ (কালসাপ) বা ‘কাল যে সাপ’। তবে অনেক ব্যাকরণে একে নিত্য সমাস বলা হয় (কালসাপ = যমরূপী সাপ বা কালকূট সাপ, ব্যাসবাক্য হয় না)। উত্তর নিত্য সমাস।
Explanation
কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী, যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
Explanation
‘গোঁফ খেজুরে’ (গোঁফে খেজুর যার) সাধারণত মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলা হয়। তবে কিছু কিছু ব্যাকরণ বা প্রশ্নব্যাংকে একে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি হিসেবেও দেখানো হয়েছে। প্রদত্ত উত্তরের ভিত্তিতে এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি।
Explanation
‘মহানবী’-এর ব্যাসবাক্য ‘মহান যে নবী’। এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস। বিশেষণ (মহান) এবং বিশেষ্য (নবী) মিলে সমাস হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান।
Explanation
‘ত্রিফলা’ (তিন ফলের সমাহার) হলো দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে এবং সমাহার বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন সমাস।
Explanation
‘জজসাহেব’ (যিনি জজ তিনিই সাহেব) কর্মধারয় সমাস। দুটি বিশেষ্য পদ একই ব্যক্তিকে বোঝালে এবং পরপদ প্রধান হলে কর্মধারয় হয়।
Explanation
‘দুঃখকে প্রাপ্ত’ (দুঃখপ্রাপ্ত) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের ব্যাসবাক্য। এখানে ‘কে’ বিভক্তি লোপ পেয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান।
Explanation
‘তেপান্তর’ (তিন প্রান্তরের সমাহার) হলো দ্বিগু সমাস। পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমাহার বা সমষ্টি অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি দ্বিগু।
Explanation
‘কাজলকালো’-এর ব্যাসবাক্য ‘কাজলের ন্যায় কালো’। এটি উপমান কর্মধারয় সমাস। এখানে উপমান (কাজল) এবং সাধারণ গুণ (কালো) বর্তমান।
Explanation
‘উপকূল’-এর ব্যাসবাক্য ‘কূলের সমীপে’। এটি অব্যয়ীভাব সমাস। এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি ‘সমীপে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান।