সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘আনত’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘ঈষৎ নত’। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি ‘ঈষৎ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, কারণ অব্যয়ের অর্থই এখানে প্রধান।
Explanation
‘পোকা-মাকড়’ (পোকা ও মাকড়) হলো দ্বন্দ্ব সমাস। এটি সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান।
Explanation
‘হাভাতে’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘ভাতের অভাব’। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হলেও অনেক সময় এটিকে বহুব্রীহি (হা ঘর যার - এমন অর্থে নয়, বরং অভাব অর্থে) বলা হয়। তবে প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরে ‘বহুব্রীহি’ দেওয়া হয়েছে, যা সম্ভবত ‘হা ভাত যার’ বা নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি হিসেবে গণ্য।
Explanation
ব্যাকরণ অনুসারে ‘সমাস’ শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘সংক্ষেপণ’ সঠিক উত্তর।
Explanation
‘ভিক্ষালব্ধ’-এর ব্যাসবাক্য ‘ভিক্ষা দ্বারা লব্ধ’। এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ‘দ্বারা, দিয়া’ ইত্যাদি বিভক্তি লোপ পাওয়ায় এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ।
Explanation
‘নাতিশীতোষ্ণ’ (নয় অতি শীতোষ্ণ) শব্দটি সাধারণত কর্মধারয় বা বহুব্রীহি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। কিন্তু অপশনে ‘নংঞ তৎপুরুষ’ দেওয়া হয়েছে এবং এটি সঠিক হিসেবে চিহ্নিত। (ন অতি শীতোষ্ণ - নংঞ তৎপুরুষ)।
Explanation
‘সোনার তরী’ শব্দটিতে ‘সোনার’ (সোনা+র) ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পায়নি। তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তি লোপ না পেলে তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে। তাই এটি সঠিক উদাহরণ।
Explanation
‘আমরা’ (আমি, তুমি ও সে) শব্দটি একশেষ দ্বন্দ্ব সমাসের মাধ্যমে গঠিত। অন্য শব্দগুলো (হিমাচল, বেখবর, ঘরামি) ভিন্ন প্রক্রিয়ায় বা ভিন্ন ধরনের শব্দ।
Explanation
‘হাঁটুজল’ (হাঁটু পরিমাণ জল) - মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। ‘আজকাল’ (দ্বন্দ্ব), ‘মাথাপিছু’ (অব্যয়ীভাব), ‘কবিগুরু’ (তৎপুরুষ)। তাই ‘হাঁটুজল’ সঠিক উত্তর।
Explanation
‘রাজপুত্র’-এর ব্যাসবাক্য ‘রাজার পুত্র’। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ‘র/এর’ বিভক্তি লোপ পাওয়ায় এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ।