সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘চাঁদমুখ’ এর ব্যাসবাক্য ‘চাঁদের মত মুখ’। এটি উপমান কর্মধারয় সমাস। যদিও অনেকে এটিকে উপমিত বলেন, কিন্তু সাধারণ গুণের অনুপস্থিতিতেও উপমান হিসেবে গণ্য করার রীতি রয়েছে।
Explanation
‘অচেনা’-এর ব্যাসবাক্য ‘ন চেনা’ বা ‘নেই চেনা’। এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে ‘অ’ বা ‘ন’ ব্যবহৃত হলে নঞ তৎপুরুষ হয়।
Explanation
‘বীণাপাণি’-এর ব্যাসবাক্য ‘বীণা পাণিতে যার’। এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস। কারণ পূর্বপদ (বীণা) ও পরপদ (পাণি) কোনোটিই বিশেষণ নয় এবং উভয়েই বিশেষ্য।
Explanation
‘সুশীল’-এর ব্যাসবাক্য ‘সু (সুন্দর) শীল যার’। এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ‘সু’ বিশেষণ এবং ‘শীল’ বিশেষ্য, তাই এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি।
Explanation
‘সবান্ধব’ (বান্ধবসহ বর্তমান) হলো সহার্থক বহুব্রীহি সমাস। অন্য শব্দগুলোর মধ্যে মনমরা (তৎপুরুষ), খাসমহল (কর্মধারয়), তপোবন (চতুর্থী তৎপুরুষ/কর্মধারয়) ভিন্ন সমাস।
Explanation
‘কুশীলব’ (কুশ ও লব) হলো দ্বন্দ্ব সমাস। রামায়ণের দুই চরিত্রের নাম একত্র করে এই দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়েছে। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘নিরুৎসাহ’ শব্দটি ‘নি’ বা ‘নাই’ অর্থক বহুব্রীহি সমাস (নঞ বহুব্রীহি)। এর ব্যাসবাক্য ‘উৎসাহের অভাব’ বা ‘নাই উৎসাহ যার’। অপশন অনুযায়ী ‘উৎসাহের অভাব’ (অব্যয়ীভাব অর্থেও ব্যবহৃত হয়)। এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে ‘উৎসাহের অভাব’ ধরা হয়েছে।
Explanation
‘চৌচির’ শব্দটি কর্মধারয় সমাস হিসেবে গণ্য হয় (চৌ যে চির)। তবে ‘মৌচাক’ (মৌমাছির চাক - তৎপুরুষ), ‘সেতার’ (বহুব্রীহি/দ্বিগু)। প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর ‘চৌচির’ সঠিক।
Explanation
‘দেবদত্ত’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘দেবকে দত্ত’। এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। দান বা উৎসর্গ অর্থে ‘কে’ বিভক্তি থাকলে তা চতুর্থী তৎপুরুষ হয়।
Explanation
‘মনমাঝি’ (মন রূপ মাঝি) হলো রূপক কর্মধারয় সমাস। উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এখানে মন ও মাঝি অভিন্ন।