সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘দশানন’ (দশ আনন আছে যার = রাবণ) বহুব্রীহি সমাসের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘সুপুরুষ’ ও ‘সাদাকালো’ কর্মধারয় ও দ্বন্দ্ব এবং ‘চৌরাস্তা’ দ্বিগু সমাস।
Explanation
যদিও ‘পকেটমার’ (পকেট মারে যে) ব্যাকরণগতভাবে উপপদ তৎপুরুষ, অনেক পুরোনো প্রশ্নে এটি বহুব্রীহি হিসেবেও (পকেট মারে যে লোক) ধরা হয়। তবে প্রদত্ত উত্তরে ‘বহুব্রীহি’ থাকায় সেটিই গ্রহণ করা হলো।
Explanation
‘কানাকানি’ (কানে কানে যে কথা) হলো ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস। ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝালে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয় এবং এতে সাধারণত ‘আ’ ও ‘ই’ প্রত্যয় যুক্ত থাকে।
Explanation
‘বেমানান’ (মানানোর অভাব) শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে ফারসি উপসর্গ ‘বে’ অভাব বা নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে।
Explanation
‘অনুতাপ’ (তাপের পশ্চাৎ) হলো অব্যয়ীভাব সমাস। এখানে ‘অনু’ উপসর্গটি ‘পশ্চাৎ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থই প্রধান থাকে।
Explanation
‘অনুতাপ’ হলো অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। ‘নির্জন’ ও ‘দেশান্তর’ যথাক্রমে বহুব্রীহি ও নিত্য সমাস হতে পারে, কিন্তু ‘অনুতাপ’ (তাপের পশ্চাৎ) সরাসরি অব্যয়ীভাবের নিয়মে পড়ে।
Explanation
‘প্রিয়ংবদা’ (প্রিয় কথা বলে যে নারী) হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এখানে ‘বদ’ (বলা) ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ এবং ‘প্রিয়ং’ উপপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Explanation
তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ অনুযায়ী সমস্তপদটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন: রাজার পুত্র = রাজপুত্র (এখানে পুত্রই প্রধান)।
Explanation
‘লঙ্কা বাটা’ শব্দটি কর্মধারয় সমাস। এর সঠিক ব্যাসবাক্য ‘যা লঙ্কা তাই বাটা’ অথবা ‘বাটা যে লঙ্কা’। এখানে লঙ্কা ও বাটা একই বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি কর্মধারয়।
Explanation
‘নবপৃথিবী’ একটি কর্মধারয় সমাস। এর ব্যাসবাক্য ‘নব যে পৃথিবী’। এখানে ‘নব’ বিশেষণ এবং ‘পৃথিবী’ বিশেষ্য পদ এবং পরপদের অর্থই প্রধান।