সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
যে সমাসে সমস্তপদ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে। যেমন: ‘দুধেভাতে’ (দ্বন্দ্বে অলুক), ‘গায়েহলুদ’ (বহুব্রীহিতে অলুক)।
Explanation
কৃদন্ত পদের পূর্বে যে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ বসে, তাকে উপপদ বলে। এই উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হলে তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: পকেট মারে যে = পকেটমার।
Explanation
‘ছায়াশীতল’ (ছায়াতে শীতল বা ছায়া দ্বারা শীতল) হলো তৎপুরুষ সমাস। সাধারণত এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ (দ্বারা/দিয়া) বা সপ্তমী তৎপুরুষ (এ/তে) হিসেবে গণ্য হয়, তবে মূল শ্রেণি তৎপুরুষ।
Explanation
‘বিশ্বকবি’ শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ‘বিশ্বের কবি’। এখানে ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি লোপ পেয়ে সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে।
Explanation
‘পাপমুক্ত’ (পাপ হতে মুক্ত) হলো পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস। এখানে ‘হতে’ বা ‘থেকে’ অনুসর্গ লোপ পেয়েছে, যা পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
Explanation
‘সাতসমুদ্র’ (সাত সমুদ্রের সমাহার) হলো দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে এবং সমাহার বা মিলন বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘নীলকণ্ঠ’ বহুব্রীহি।
Explanation
দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করা হয়, তাই এতেও পরপদ প্রধান। যেমন: চৌরাস্তা (চার রাস্তার সমাহার) - এখানে ‘রাস্তা’ বা পরপদের অর্থই প্রধান।
Explanation
‘তেপান্তর’ (তিন প্রান্তরের সমাহার) শব্দটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘তে’ (তিন) সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এটি সমাহার বুঝিয়েছে।
Explanation
‘চৌরাস্তা’ (চার রাস্তার সমাহার) হলো দ্বিগু সমাস। ‘পুরুষ সিংহ’ কর্মধারয় এবং ‘হাটবাজার’ দ্বন্দ্ব সমাস। দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থাকে।
Explanation
‘মৌমাছি’ (মৌ আশ্রিত মাছি) হলো মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। এখানে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ ‘আশ্রিত’ বা ‘সঞ্চয়কারী’ লোপ পেয়েছে।