সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘আলোছায়া’ (আলো ও ছায়া) হলো দ্বন্দ্ব সমাস। এখানে দুটি পদের অর্থই প্রধান এবং তাদের মধ্যে বৈপরীত্য বা মিলন সম্পর্ক রয়েছে।
Explanation
‘যুবজানি’ (যুবতী জায়া যার) বহুব্রীহি সমাস। অন্য সব অপশন যেমন ‘যৌবনবন’, ‘ক্ষুধানল’, ‘জীবনপ্রদীপ’ রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘শশব্যস্ত’ (শশকের ন্যায় ব্যস্ত) হলো উপমান কর্মধারয় সমাস। এখানে ‘শশক’ (খরগোশ) উপমান এবং ‘ব্যস্ত’ সাধারণ গুণ। উপমানের সাথে সাধারণ গুণের সমাস হয়েছে।
Explanation
নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন। এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। সংখ্যাবাচক শব্দ ‘নব’ (নয়) এবং সমাহার বা সমষ্টি বোঝানোর কারণে এটি দ্বিগু।
Explanation
‘দীনে দয়া কর’ বাক্যে ‘দীনে’ পদটি সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তি। কারণ নিঃস্বার্থভাবে দান বা দয়া করা বোঝালে যাকে দান করা হয়, সে সম্প্রদান কারক হয়।
Explanation
প্রদত্ত উত্তরে ‘সম্প্রদানে ৭মী’ বলা হলেও, ব্যাকরণগতভাবে ‘রতনে রতন চিনে’ বাক্যে ‘রতনে’ (যে চিনে) সাধারণত কর্তা বা করণ হতে পারে। তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সম্প্রদান হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা বিতর্কিত। প্রচলিত উত্তর অনুসরণ করা হলো।
Explanation
অর্থসঙ্গতি আছে এমন একাধিক পদের একপদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। সমাসের মাধ্যমে বাক্য সংক্ষেপিত হয় এবং নতুন শব্দ গঠিত হয়।
Explanation
চিরাচরিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাস প্রধানত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু এবং অব্যয়ীভাব সমাস।
Explanation
সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘সংক্ষেপণ’। একাধিক পদকে একপদে পরিণত করে এটি বাক্যের আকার ছোট করে এবং শ্রুতিমধুর করে তোলে।
Explanation
বাংলা ব্যাকরণে সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারেই বাংলায় সমাসবদ্ধ পদ গঠনের নিয়মগুলো প্রচলিত হয়েছে।