সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
সমস্তপদকে বিশ্লেষণ করলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলে। এটি সমাসের অর্থ স্পষ্ট করে।
Explanation
উপপদের (কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদ) সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: জল দেয় যে = জলদ।
Explanation
সমাসবদ্ধ পদের দুটি অংশের মধ্যে পরবর্তী অংশটিকে পরপদ বা উত্তরপদ বলা হয়। যেমন: ‘রাজপুত্র’ শব্দে ‘পুত্র’ হলো পরপদ।
Explanation
সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশটিকে পূর্বপদ বলা হয়। সমাস নির্ণয়ে পূর্বপদের বিভক্তি ও অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Explanation
পূর্বপদ থেকে ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: চায়ের বাগান = চা-বাগান।
Explanation
‘মনগড়া’ (মনে গড়া) হলো সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এখানে পূর্বপদ ‘মনে’ থেকে সপ্তমী বিভক্তি ‘এ’ লোপ পেয়েছে (কিছু ক্ষেত্রে অলুকও হতে পারে, তবে ব্যাকরণে এটি সাধারণত সপ্তমী তৎপুরুষ হিসেবেই ধরা হয়)। প্রদত্ত অপশনের মধ্যে ‘তালকানা’ (তালে কানা) সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
Explanation
সমাস শব্দ গঠনের একটি প্রক্রিয়া। যেহেতু এটি শব্দের রূপ বা গঠন নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ব্যাকরণের রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।
Explanation
সমাসবদ্ধ পদের দ্বিতীয় বা শেষ অংশকে পরপদ বলা হয়। এর আরেকটি নাম হলো উত্তরপদ। সমাসের প্রকারভেদে কখনো এর অর্থ প্রধান হয়, আবার কখনো গৌণ।
Explanation
সমাস ও সন্ধি উভয়ের কাজই হলো মিলন ঘটানো। সন্ধিতে বর্ণের মিলন ঘটে এবং সমাসে পদের মিলন ঘটে। তাই সন্ধির সাথে সমাসের কিছুটা মিল রয়েছে।
Explanation
দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান প্রতিটি পদের (পূর্বপদ ও পরপদ) অর্থই প্রধান থাকে। যেমন: মা-বাবা (মা ও বাবা) - এখানে উভয়ের গুরুত্ব সমান।