সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘রাজহাঁস’ (হাঁসের রাজা) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। তৎপুরুষ সমাসে ‘রাজা’ শব্দ পরে থাকলে তা ‘রাজ’ হয়। তাই ব্যাসবাক্য: হাঁসের রাজা।
Explanation
‘রাজপথ’ (পথের রাজা) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ‘পথ’ শব্দ পরে থাকলে ‘রাজা’ স্থানে ‘রাজ’ হয় এবং ব্যাসবাক্যটি হয় ‘পথের রাজা’।
Explanation
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: দ্বিতীয়া) লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে। যদিও প্রশ্নে ‘দ্বিতীয়া’ উল্লেখ আছে, তবে সাধারণভাবে বিভক্তি লোপ না পেলেই তা অলুক তৎপুরুষ।
Explanation
বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ প্রধান হয় না, বরং তাদের দ্বারা গঠিত সমস্তপদটি তৃতীয় বা ভিন্ন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
Explanation
প্রশ্নে ‘বিশ্লেষণ’ শব্দটি ‘বিশেষণ’ হওয়ার কথা। পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। উত্তর: ব্যধিকরণ (উৎস অনুযায়ী), তবে সঠিক ব্যাকরণ মতে এটি ‘সমানাধিকরণ’। কিন্তু প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর ‘ব্যধিকরণ’ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হতে পারে যদি না প্রশ্নে ‘দুটিই বিশেষ্য’ বলা হতো। প্রদত্ত উত্তর অনুসরণ করা হলো। (দ্রষ্টব্য: ব্যধিকরণে দুটি পদই সাধারণত বিশেষ্য হয়।)
Explanation
ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বা একই কাজ দুজন মিলে করা বোঝালে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন: লাঠালাঠি, হাতাহাতি।
Explanation
নঞ বহুব্রীহি সমাসে গঠিত সমস্তপদটি সাধারণত বিশেষণ পদ হয়। কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বা অবস্থা (অভাব) নির্দেশ করে।
Explanation
অলুক বহুব্রীহি সমাসেও সমস্তপদটি সাধারণত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটিও অন্য কোনো পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
Explanation
‘আশীবিষ’ একটি বহুব্রীহি সমাস (আশীতে বিষ যার)। এর অর্থ সাপ বা ভুজঙ্গ। দাঁতে বিষ থাকে বলে সাপকে আশীবিষ বলা হয়।
Explanation
‘দ্বীপ’ (দু দিকে অপ যার) শব্দটি কোনো সাধারণ নিয়ম না মেনে গঠিত হওয়ায় এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।