সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
দ্বন্দ্ব সমাসে ব্যাসবাক্যে পদগুলোর সংযোগ ঘটানোর জন্য সাধারণত তিনটি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়: ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’।
Explanation
দুটি কৃদন্ত বিশেষণ পদে কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন: আগে ধোয়া পরে মোছা = ধোয়ামোছা। এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত কর্মধারয় সমাস।
Explanation
‘হাটবাজার’ সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। ‘হাট’ ও ‘বাজার’ শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সমার্থক দ্বন্দ্ব।
Explanation
‘কাগজ-পত্র’ সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘কাগজ’ ও ‘পত্র’ সমার্থবোধক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Explanation
দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু বহুব্রীহি সমাসে কোনো পদের অর্থই প্রধান থাকে না, বরং তৃতীয় কোনো অর্থ বোঝায়। তাই অর্থের বিচারে বহুব্রীহি দ্বন্দ্বের বিপরীত।
Explanation
‘দা-কুমড়া’ বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস। দা ও কুমড়ার সম্পর্ক শত্রুভাবাপন্ন বা বিরোধপূর্ণ, তাই এটি বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব।
Explanation
সাধারণভাবে তৎপুরুষ সমাস ৯ প্রকার: দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, নঞ, উপপদ এবং অলুক তৎপুরুষ।
Explanation
তৎপুরুষ সমাসে সর্বদা পরপদ বা উত্তরপদের অর্থ প্রধান থাকে। পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ অনুযায়ী পদটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
ব্যাপ্তি বা কালবাচক শব্দ দ্বারা ব্যাপক সময় বোঝালে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: চিরসুখী (চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী)।
Explanation
কোনো কিছুর জন্য বা নিমিত্ত বোঝালে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: বসতবাড়ি (বসতের নিমিত্ত বাড়ি), বিয়েপাগলা (বিয়ের নিমিত্ত পাগলা)।