শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত। পর্তুগিজরা ভারতবর্ষে বাণিজ্য করার সময় অনেক ফলের সাথে এই শব্দটিও নিয়ে আসে যা এখন বাংলা ভাষার অংশ।
Explanation
‘গিন্নী’ (গৃহিণী থেকে) এবং ‘কেষ্ট’ (কৃষ্ণ থেকে)—উভয় শব্দই সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে কিছুটা বিকৃত রূপ লাভ করেছে। ব্যাকরণে এগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়।
Explanation
‘গিন্নী’ শব্দটি সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ শব্দের আংশিক পরিবর্তিত রূপ, তাই এটি অর্ধ-তৎসম। হস্ত (তৎসম), গঞ্জ (ফারসি) এবং তসবি (আরবি) শব্দগুলো ভিন্ন শ্রেণির।
Explanation
‘পঙ্কজ’ (পঙ্কে জন্মে যা) সমাস নিষ্পন্ন শব্দ হলেও এটি সব কিছুকে না বুঝিয়ে কেবল ‘পদ্মফুল’কে বোঝায়। বিশেষ অর্থে সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়ায় এটি যোগরূঢ় শব্দ।
Explanation
‘কাহিনি’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় আগত হিন্দি শব্দের মধ্যে কাহিনি, পানি, ধোলাই ইত্যাদি অন্যতম।
Explanation
‘হরিণ’ শব্দটি ‘হরণ করে যে’ অর্থে না বুঝিয়ে একটি নির্দিষ্ট প্রাণীকে বোঝায়। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ত্যাগ করে বিশেষ অর্থ গ্রহণ করায় এটি একটি রূঢ়ি শব্দ।
Explanation
‘মহকুমা’ বা ‘মহাকুমা’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। এটি একটি প্রশাসনিক শব্দ যা বাংলাদেশে প্রচলিত। আরবি ভাষার প্রশাসনিক শব্দগুলো বাংলায় বহুল ব্যবহৃত।
Explanation
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। ‘লাঙ্গল’ শব্দটি এখানে বিভক্তিহীন মূল শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে অপশন অনুযায়ী ‘লাঙ্গল’ একটি প্রাতিপদিক উদাহরণ হতে পারে।
Explanation
‘গিন্নি’ শব্দটি সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ থেকে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এটি অর্ধতৎসম শব্দ। হস্ত ও পাত্র তৎসম শব্দ এবং গঞ্জ ফারসি শব্দ।
Explanation
‘ম্যালেরিয়া’ শব্দটি ইতালিয়ান শব্দ ‘mala aria’ (দূষিত বাতাস) থেকে এসেছে। যদিও এটি ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করেছে, তবে এর মূল উৎস ইতালিয়ান।